ভারতের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে একনেকে ৮৪৬ কোটি টাকার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন।

47

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য ৮৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পসহ সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে চলতি অর্থবছরের পঞ্চম একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান সভায় যোগ দেন। একনেকের অন্য সদস্যরা রাজধানীর এনইসি ভবন থেকে যুক্ত ছিলেন।

সভা শেষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, ‘আমরা আজকের একনেক সভায় চারটি মন্ত্রণালয়ের সাত প্রকল্প উত্থাপন করি এবং সবগুলো প্রকল্পই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট আনুমানিক ব্যয় ৩ হাজার ৪৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।’

মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৬১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা সরকারের তহবিল থেকে এবং ৫৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা বিদেশি ঋণ বা অনুদান ও ২৬০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বিশ্ব ব্যাংকের অনুদান থেকে আসবে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে ‘বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণে’র কথা বলতে গিয়ে এমএ মান্নান বলেন, ‘রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ভারতের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য রাস্তাটি উন্নত করছি…। এটি বাংলাদেশ এবং ভারত উভয় দেশের জন্যই একটি লাভজনক প্রকল্প।’

তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। উভয় দেশই ভারতের ত্রিপুরা এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে নাফ নদীর মধ্য দিয়ে যুক্ত সড়কটি ব্যবহার করে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।

তিনি জানান, ৮৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার প্রকল্পটিতে সরকার দেবে ২৬৪ কোটি ৩৩ লাখ এবং ভারতীয় ঋণ ৫৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে রামগড়ে সীমান্তহাট উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে কারণ প্রকল্পটি সম্ভাব্য সীমান্তের বাজারকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মান্নান বলেন, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প থেকে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি রেস্ট হাউস নির্মাণের প্রস্তাব বাতিল করে দেন। এর পরিবর্তে তিনি সারা দেশে যেখানে রেস্ট হাউস নির্মাণ প্রয়োজন তার জন্য একটি পৃথক প্রকল্প নেয়া জরুরি বলে মত দেন।

ইউএনবি